Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label জামায়াতে ইসলামী. Show all posts
Showing posts with label জামায়াতে ইসলামী. Show all posts

Monday, January 16, 2012

তিন বোনকে সেনাক্যাম্পে দেন সাঈদী

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ সোমবার জবানবন্দি দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের ১৩তম সাক্ষী। জবানবন্দিতে সাক্ষী তাঁর তিন বোনকে সাঈদীসহ রাজাকারদের পাকিস্তানি সেনাক্যাম্পে দেওয়ার এবং তাঁদের পুরো পরিবারকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার বর্ণনা দেন।
বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১৩তম সাক্ষী এই জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে একদিন সাঈদী কয়েকজন রাজাকারকে নিয়ে পিরোজপুরে তাঁদের (সাক্ষীর) বাড়িতে যান। রাজাকাররা তাঁদের বাড়ি লুট করে এবং তাঁর তিন বোনকে ধরে নিয়ে পিরোজপুরে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে দিয়ে আসে। তিন দিন পর তিন বোনকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো হয়। একাত্তরে তাঁর বয়স ছিল ২৭ বছর।
তিন বোনের ওপর পাকিস্তানি সেনাদের নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে সাক্ষী কান্নায় ভেঙে পড়েন। জবানবন্দিতে তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার কিছুদিন পর সাঈদী আবার কয়েকজন রাজাকার নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যান। রাজাকাররা তাঁর মা-বাবা, ভাইবোনসহ পরিবারের সব সদস্যকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে। তাঁর নাম দেওয়া হয় আবদুল গনি। তাঁদের মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি ছাড়া পরিবারের অন্য সবাই ভারতে চলে যান। স্বাধীনতার পর তিনি নিজ (হিন্দু) ধর্মে ফিরে আসেন।
জবানবন্দির এ পর্যায়ে সাক্ষী আবেগে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যান এবং কাঁদতে থাকেন। ট্রাইব্যুনাল তাঁকে শান্ত হয়ে বসতে বলেন।
জবানবন্দিতে সাক্ষী বলেন, তাঁকে ছাড়া আরও এক-দেড় শ হিন্দুসম্প্রদায়ের লোককে রাজাকাররা ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণ সাহা, নিখিল পাল, গৌরাঙ্গ পাল, সুনীল পাল। তাঁদের অনেকে মারা গেছেন। অনেকে ভারতে চলে গেছেন।
জবানবন্দি শেষে সাক্ষীকে জেরা শুরু করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম। তিনি এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কয়েকজন সাক্ষীর নাম উল্লেখ করে সাক্ষীর কাছে জানতে চান, তাঁদের তিনি চেনেন কি না? সাক্ষী তাঁদের চেনেন বলে জানান। মিজানুল জানতে চান, সাক্ষীর তিন বোনকে নির্যাতন ও ধর্মান্তরিত করার ঘটনা ওই সাক্ষীরা জানেন কি না? জবাবে সাক্ষী বলেন, তাঁরা কী জানেন না-জানেন, তা তিনি বলতে পারবেন না।
বেলা একটায় এক ঘণ্টা বিরতির পর আবার জেরা শুরু হলে মিজানুল জানতে চান, সাক্ষী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে লুট হওয়া জিনিসপত্রের কোনো তালিকা দিয়েছেন কি না? জবাবে সাক্ষী বলেন, ‘সবকিছু এমনকি ঘর ঝাড় দেওয়ার পিছা (ঝাড়ু) পর্যন্ত লুট হয়েছে।’ স্বাধীনতার পর নিজ ধর্মে ফিরতে কোনো প্রায়শ্চিত্ত করেছেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জীবনের মায়ায় ধর্মান্তরিত হয়েছি, এর জন্য প্রায়শ্চিত্ত দরকার নেই।’
বিকেল চারটার দিকে জেরা শেষ হলে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম কাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।

(প্রথম আলোর নীতি অনুসারে সাক্ষী ও তাঁর বোনদের নাম প্রকাশ করা হলো না।) prothom-alo

Sunday, July 24, 2011

ছোট দলগুলোকে কাছে পেতে বিএনপির বাধা জামায়াত

সরকারবিরোধী আন্দোলনে সুবিধা করতে পারছে না বিএনপি। শরিক দলগুলোর অবস্থাও জোরালো নয়। এ অবস্থায় একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়তে ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। কিন্তু এ প্রচেষ্টায় এখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপি দুই সপ্তাহ ধরে যেসব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছে, সবগুলোরই আপত্তি জামায়াতকে নিয়ে। দলগুলোর বক্তব্য, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামায়াত থাকলে তাদের পক্ষে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করা কঠিন।
এ অবস্থায় বিএনপির নেতারা নতুন সংকটে পড়েছেন। কারণ দলটির পুরোনো মিত্র জামায়াত ভোটের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই জামায়াতকে ত্যাগ করা বিএনপির পক্ষে কঠিন।
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের কয়েকজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, জামায়াতকে বাদ দিয়ে কোনো রাজনৈতিক মোর্চা গড়ার চিন্তা বিএনপির নেই। তবে অন্যান্য দলকে কাছে টানার কৌশল হিসেবে চারদলীয় জোটে জামায়াতের প্রভাব কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে।
অবশ্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাবি, জামায়াতের বিষয়ে বিএনপির মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ঐক্য গঠনের ক্ষেত্রে যদি কোনো দলের আপত্তি থাকে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিকল্পধারা বাংলাদেশ, কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, অলি আহমদের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ইতিমধ্যে বিএনপির সঙ্গে পৃথক বৈঠকে জামায়াতের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছে। একই আপত্তি আ স ম আবদুর রবের জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), মেজর জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ ইবরাহিমের বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টিরও।
কাদের সিদ্দিকী গত শনিবার রাতে খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের সঙ্গে থেকে জোট গঠনে তাঁর দলের অসুবিধা আছে।
ওই বৈঠকসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, কাদের সিদ্দিকীর আপত্তির বিষয়ে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তবে তিনি কী করবেন, সে ব্যাপারে কিছু বলেননি।
এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রথম আলোকে বলেন, মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান সবার জানা। তারা এরশাদ সরকারের সময় বেইমানি করে নির্বাচনে গেছে। তাই এদের সঙ্গে জোট করা যায় না। জামায়াত থাকলে এলডিপি বিএনপির সঙ্গে জোটে যাবে না, তবে যুগপ ৎ আন্দোলনে থাকবে।
এ ছাড়া সরকারবিরোধী আন্দোলনে যুগপ ৎ কর্মসূচি বা রাজনৈতিক ঐক্যের লক্ষ্যে বিএনপি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলসহ (বাসদ) কয়েকটি বামপন্থী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারাও জামায়াতের ব্যাপারে জোর আপত্তি করেছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, চলমান আন্দোলনকে বেগবান করতে বিএনপির নেতৃত্বে অন্য দলগুলোকে নিয়ে একটি বৃহ ৎ ঐক্য প্রতিষ্ঠা হবে। এ জন্য যা করার, বিএনপি তা করবে। তাঁর দাবি, আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন দলের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা হবে প্রথম আলো

Sunday, July 10, 2011

প্রয়োজনে রমজানেও হরতাল: জামায়াত

সরকার বাধ্য করলে জামায়াতে ইসলামী তাদের শরিকদের নিয়ে আসন্ন রমজান মাসেও হরতালের ডাক দেবে। দলটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।
আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘সরকার দেশকে পাকিস্তান বানানোর পাঁয়তারা করছে। হরতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দলের নেতা-কর্মীদের সাজা দেওয়া হচ্ছে। এমন দৃষ্টান্ত একমাত্র পাকিস্তান আমলে স্বৈরাচার আয়ুব খানই দেখিয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে আয়ুবের পদাঙ্ক অনুসরণ লজ্জাজনক। অথচ তারা সব সময় বলে, আমরা নাকি দেশকে পাকিস্তান বানাচ্ছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, সংবিধানে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস পুনর্বহাল, হরতালে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের সাজা মওকুফের দাবিতে আজ শনিবার দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্টিত হবে। এ ছাড়া আগামী ১৩ জুলাই জুলুম-দুঃশাসনের হাত থেকে মুক্তির জন্য দেশবাসীর প্রতি নফল রোজা রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ১২টি ধর্মভিত্তিক দলের ডাকা ১০ ও ১১ জুলাইয়ের হরতালের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানানো হয়।
রমজানে হরতাল ডাকার যৌক্তিকতা সম্পর্কে আজহারুল ইসলাম বলেন, অতীতে জামায়াত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে রমজান মাসেও হরতাল ডেকেছিল। এবারও সরকার অসহিষ্ণু আচরণ করলে প্রয়োজনে রমজানে হরতালের ডাক দেওয়া হবে।
হরতালকে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি উল্লেখ করে আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘সদ্য শেষ হওয়া ৪৮ ঘণ্টার হরতালে সরকার নজিরবিহীন সন্ত্রাস চালিয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় অফিস ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল। নেতা-কর্মীদের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আন্দোলন দমানোর জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদলতকে। মিছিল-সমাবেশ করার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়ার বিধান দুনিয়ার আর কোথাও আছে বলে আমাদের জানা নেই।’
আজহারুল ইসলাম জানান, হরতালে ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় ছিল। এসব আদালত রাজধানীতে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি গ্রেপ্তার করা নেতা-কর্মীদের মুক্তি এবং ভ্রাম্যমাণ আদলতে সাজাপ্রাপ্তদের সাজা মওকুফের দাবি জানান।
সরকার চারদলীয় জোটের হরতাল বানচালের জন্য পুলিশ বহিনীর সঙ্গে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগকে মাঠে নামিয়েছে বলে মন্তব্য করেন আজহারুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশ বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুককে পিটিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রের পিঠে ছুরিকাঘাত করেছে। অথচ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে তিনি ফারুককে হামলাকারী হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে মহানগর জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম, সাংসদ হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ইজ্জত উল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
prothom-alo

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More