Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label মহিলা. Show all posts
Showing posts with label মহিলা. Show all posts

Wednesday, September 7, 2011

‘বিমান পাঠাও, তোমার জন্য জুতা নিয়ে আসব’

ঢিল মারলে যে পাটকেলটি খেতে হয়, ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতীর বোধ হয় জানা ছিল না। তাই তো তিনি উইকিলিকসে ফাঁস হওয়া তথ্যে ক্ষুব্ধ হয়ে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে আগ্রার পাগলা গারদে পাঠানোর কথা বলেছেন। খেপা মানুষ অ্যাসাঞ্জও কম যান না। মায়াবতীকে যুক্তরাজ্যে বিমান পাঠাতে বলেছেন। ভারতে আসার সময় মায়াবতীর জন্য ভালো জুতাও আনবেন বলে জানিয়েছেন অ্যাসাঞ্জ।
ঘটনার সূত্রপাত কয়েক দিন আগে। মার্কিন গোপন তারবার্তা ফাঁস করে মায়াবতীর ব্যাপারে উইকিলিকস একটা বোমাই ফাটিয়েছিল। অভিযোগ গুরুতর। ২০০৮ সালের ২৩ অক্টোবরের এক তারবার্তায় বলা হয়, যখন মায়াবতীর নতুন স্যান্ডেলের দরকার হয়, তখন তাঁর পছন্দের ব্র্যান্ডের স্যান্ডেল আনতে মায়াবতীর ব্যক্তিগত বিমান মুম্বাইয়ে উড়ে যায়।
শুধু তা-ই নয়; ২০০৭ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) প্রধান মায়াবতীকে (৫৫) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ভাবনায় আচ্ছন্ন ‘প্রথম শ্রেণীর অহং-সর্বস্ব’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
উইকিলিকসে প্রকাশিত তারবার্তায় বলা হয়, দলের সদস্য, সরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লাখ লাখ ডলার উপহার নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিবছর জন্মদিন পালন করেন দলিত সম্প্রদায়ের মায়াবতী। জন্মদিন পালনের সময় তাঁকে কেক খাওয়ানোর জন্য প্রতিযোগিতা শুরু হয় কর্মকর্তাদের মধ্যে। তারবার্তায় বলা হয়, মায়াবতী নিজের বাড়ি থেকে অফিস পর্যন্ত একটি ব্যক্তিগত সড়ক নির্মাণ করেছেন।
উইকিলিকসে প্রকাশিত ওই তারবার্তার তথ্যের প্রতিক্রিয়ায় মায়াবতী ক্ষুব্ধ হয়ে গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মানসিক পুনর্বাসন কেন্দ্র পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন। মায়াবতী উইকিলিকসের এ অভিযোগকে নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন। মায়াবতী বলেন, ‘উইকিলিকসপ্রধান হয় পাগল হয়ে গেছেন, অথবা আমাদের বিরোধীদের সমর্থন করছেন।’ তিনি অ্যাসাঞ্জকে আগ্রার মানসিক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তিরও প্রস্তাব দেন।
মায়াবতীর এ মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠান। অ্যাসাঞ্জ বলেছেন, ‘মায়াবতী যুক্তিসংগত বিচারবুদ্ধির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। প্রশ্ন হলো, তিনি কি দলিতদের সঙ্গেও প্রতারণা করেছেন? কোনো সন্দেহ নেই যে এই দলিলগুলো মার্কিন দূতাবাসের। এই দলিল বিশ্বব্যাপী প্রমাণিত। এমনকি ওয়াশিংটন কর্তৃকও।’
মায়াবতী উদ্দেশে অ্যাসাঞ্জ বলেন, ‘হিলারির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের যোগাযোগে এ অভিযোগ করা হয়েছে। তাঁর যদি এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকে, তা নিয়ে হিলারির সঙ্গে কথা বলা উচিত। আমি তাঁকে তাঁর ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাই।’
অ্যাসাঞ্জ আরও বলেন, ‘তিনি যদি তা করতে ব্যর্থ হন, তবে আমাকে যুক্তরাজ্য থেকে নিয়ে যেতে তাঁর ব্যক্তিগত বিমান পাঠানোকে স্বাগত জানাই, আমি যেখানে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গত ২৭২ দিন ধরে গৃহবন্দী আছি। ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে আমি আনন্দিত হব, দেশটিকে আমি ভালোবাসি। ভারতে যাওয়ার সময় আমি মায়াবতীর জন্য যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ভালো জুতা নিয়ে যাব।

Tuesday, July 26, 2011

ইন্দিরা গান্ধীকে স্বাধীনতা সম্মাননা

একাত্তরে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার জন্য ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধীকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্মাননা অর্পণ করা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্র্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। গতকাল সোমবার বঙ্গভবনে এক অনাড়ম্বর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের প্রধান সোনিয়া গান্ধীর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান। সোনিয়া গান্ধী গত রোববার ঢাকায় আসেন অটিজম-বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে। বাংলাদেশ সরকার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী প্রায় পাঁচ শ বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হবে। ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মাননা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো। আমরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সর্বতোভাবে সহায়তা করেছেন, প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছেন, স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে সারা বিশ্বে কূটনৈতিক তৎ পরতা চালিয়েছেন, তাঁকে সম্মানিত করতে পেরে দেশবাসীও গৌরববোধ করছে। এমন একটি সময়ে এই সম্মাননা দেওয়া হলো, যখন সব সংশয় ও সন্দেহ পেছনে ফেলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নবযুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি ও তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই হওয়ার কথা। একই সঙ্গে আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে দুই দেশের মধ্যে স্থল ও রেলওয়ে ট্রানজিটসুবিধা বিনিময়েরও প্রস্তুতি চলছে। এই দুটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এমনভাবে বিন্যস্ত যে পারস্পরিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে আন্তযোগাযোগ বাড়ানোর বিকল্প নেই।
বিলম্বে হলেও ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী দেশের এই রাষ্ট্রনেতাকে স্বাধীনতা সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জানানো হলো। উত্তম হতো, যদি স্বাধীনতার সম্মাননা জানানোর বিষয়টিও আমরা জাতীয় মতৈক্যের ভিত্তিতে করতে পারতাম, এ নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হতো। আরও আনন্দের হতো, যদি এ রকম একটি বিরল ও ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যেত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে আমাদের বৈরী রাজনীতির কারণে সেটা সম্ভব হলো না। তবে প্রধান বিরোধী দল সোনিয়া গান্ধীর বাংলাদেশ সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নের সহায়ক হবে বলে যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, তা ইতিবাচক। রাজনৈতিক পথ ও মতের ভিন্নতা সত্ত্বেও পররাষ্ট্রনীতি তথা নিকট প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে আমাদের জাতীয় নেতৃত্ব একযোগে কাজ করবে—এটাই প্রত্যাশিত।
বিদেশি নাগরিকদের সম্মাননা জানানোর পাশাপাশি যে লক্ষ্য ও আদর্শ সামনে রেখে একাত্তরে এ দেশের মানুষ জীবন বাজি রেখে জাতীয় মুক্তির মহাসমরে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, সেই লক্ষ্য ও আদর্শ কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই আত্মজিজ্ঞাসাও জরুরি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা কেবল মুখে উচ্চারণই যথেষ্ট নয়, আমাদের চিন্তা ও কর্মে এর যথাযথ প্রতিফলন থাকতে হবে। স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে এটাই দেশবাসীর ঐকান্তিক প্রার্থনা।

Monday, July 4, 2011

প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করছে থাইল্যান্ড

ব্যাংকক, জুলাই ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/রয়টার্স)- ছয় বছরের মধ্যে ছয় প্রধানমন্ত্রী আর কখনো কখনো রাজনৈতিক সহিংসতা, রক্তপাতে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশটির ভাবমূর্তি ক্রমশ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছিল।

এমন পরিস্থিতিতে সপ্তম জাতীয় নির্বাচন নিয়ে থাইল্যান্ডবাসীরা তেমন আগ্রহ না দেখালে দোষ দেওয়ার কিছু ছিল না।

কিন্তু এবারের নির্বাচনে ভিন্ন একটি বিষয় ছিল। আর তাতেই হয়তো পরিবর্তনের স্বপ্নে বিভোর থাইল্যান্ডবাসীর মধ্যে নির্বাচন নিয়ে দেখা যায় তুমুল আগ্রহ। দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারীকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিল জনগণ।

সপ্তম জাতীয় নির্বাচনে সেই ভিন্নতা হচ্ছেন ইংলাক সিনাওয়াত্রা। ৪৪ বছর বয়সী একজন নারী। দুই মাস আগেও যার রাজনীতিতে কোন বিচরণ ছিল না। তিনিই থাইল্যান্ডের পুয়ে থাই পার্টির বিস্ময়কর বিজয়ের আইকন। এর মধ্য দিয়ে ইংলাক অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রে। আর তার পেছনে ছায়া হয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারই ভাই নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা।

ইংলাক, বাবা-মায়ের দেয়া ডাক নাম পোও কখনো কোন সরকারি পদে আসীন হন নি। তাই তাকে প্রমাণ করতে হবে তিনিও পারেন দেশ চালাতে।

কিন্তু থাইল্যান্ডবাসীদের একটি অংশ বিশেষ করে নারীরা এ চ্যালেঞ্জের সুফল তার হাতে তুলে দিতে চায় এবং সেদেশের রাজনীতিতে নারীদের সম-অধিকারের জন্য আন্দোলনরত নারীরা বিষয়টিকে একটি বড় অর্জন, একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।

ব্যাংকক মার্কেটে একটি সানগ্লাসের দোকানের মালিক ৪২ বছর বয়স্ক আরিরাক সায়েলিম বলেছেন, "আমি সবসময় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হতে চাইতাম।"

তিনি আরো বলেন, "আমি অনেক পুরুষকে দেখেছি দেশ চালাতে গিয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। সম্ভবত এবার ভিন্ন ব্যাপার ঘটতে যাচ্ছে। নারী কী আর পুরুষ কী নয় এগুলো খুঁতখুঁতে ব্যাপার। তার বয়স এবং সাফল্যম-িত কর্মজীবনের ভিত্তিতে আমি বেশ নিশ্চিত, সে কাজটা ভালই পারবে।"

থাইল্যান্ডের ক্রাং ব্যাংকের প্রথম মহিলা নির্বাহী সহকারী-প্রধান যাওয়ালাক পুলথং বলেছেন, "অনেক নারীই যোগ্য, বিজ্ঞ এবং সত্যিই আজকের দিনে এ দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্যতা তাদের রয়েছে।"

তিনি আরো বলেন, "আমি মনে করি না কে কাজটি করতে পারবে আর করতে পারবে না। এক্ষেত্রে জেন্ডার একটি ইস্যু হতে পারে।"

ইংলাক তার ভাইয়ের জনপ্রিয় নীতিগুলো ফিরিয়ে আনতে এবং দরিদ্রদের জীবনমানের উন্নয়নের ব্যাপারে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া ২০০৬ সালে সামরিক বাহিনী কর্তৃক তার ভাইকে অপসারনের প্রতিশোধ না নিয়ে, এই ছয় বছরের রাজনৈতিক সংকট দূর করে জাতীয় পুনর্গঠনের ব্যাপারেই তিনি বদ্ধপরিকর।


বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিসিএস/সিআর/১১৪৮ ঘ.

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More