Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label বিরোদী দল. Show all posts
Showing posts with label বিরোদী দল. Show all posts

Sunday, November 27, 2011

সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে: খালেদা


  বিরোধী দলের রোড মার্চে জনগণের সাড়ায় সরকার দিশেহারা হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

রোববার বিকালে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে জনসভায় খালেদা বলেন, “রোড মার্চের গণজাগরণে সরকারের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজের কাজ-কর্ম বাদ দিয়ে গাড়ির হিসাব কষতে কাগজ-কলম নিয়ে বসেছেন।”

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল ও সরকারের পদত্যাগ দাবিতে এ জনসভার মধ্য দিয়ে খুলনা অভিমুখে রোডমার্চের সমাপ্তি টানেন বিরোধী দলের নেতা।

এর আগে সাড়ে চার ঘণ্টা রোড মার্চ শেষে বিকাল ৪টার দিকে গাড়িবহর নিয়ে খুলনা সার্কিট হাউজের জনসভাস্থলে পৌঁছেন খালেদা জিয়া। বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন।

এখানে পৌনে এক ঘণ্টার বক্তব্যে তিনি সরকারের ব্যর্থতা, অপশাসন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প, খুলনার রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, সরকার বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপার্সন বলেন, “ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য তারা সংবিধান সংশোধন করেছেন। মিলন হত্যাকারী খুনি এরশাদকে পাশে নিয়ে বিরোধী দল বানাবেন, তা হতে দেওয়া হবে না।”

দল ক্ষমতায় গেলে ডা. মিলনসহ অন্যান্য হত্যার বিচার করার প্রতিশ্র“তি দেন তিনি।

মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এই জনসভা হয়।

সরকারের সমালোচনা এবং শেখ হাসিনার প্রতি ইঙ্গিত করে খালেদা বলেন, “এই সরকার লুটপাট ছাড়া কোনো উন্নয়ন করেনি। আওয়ামী লীগ চিরস্থায়ীভাবে ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এজন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছে। ক্ষমতায় থাকতে না পারলে তারা দেশ থেকে চলে যাবে। কারণ সহায়-সম্পত্তি, ছেলে-মেয়ে সব কিছু তাদের বিদেশে।’’

বক্তৃতায় বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিরোধী দলীয় নেতা।

গত ৩০ জুন পঞ্চদশ সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিষয়ক সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে সর্বোচ্চ আদালত।

বিএনপি শুরু থেকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের বিরোধিতা করে আসছিল।

রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প নয়

খুলনার রামপালে ভারত থেকে কয়লা এনে বিদ্যুৎ প্রকল্প করার বিরোধিতা করে খালেদা জিয়া বলেন, “এই প্রকল্প হলে আমাদের সুন্দরবন শেষ হয়ে যাবে। সেখানকার জীব-বৈচিত্র, পশু-পাখি সব কিছু মরে যাবে। এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প হতে দেওয়া হবে না।”

খুলনার বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এই অঞ্চলের আইলা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন, সাতক্ষীরা ও খুলনার জলাবদ্ধাা দূর করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খুলনা অঞ্চলে অতীতের মতো আরো উন্নয়ন করবো।”

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিএনপিও চায়

স্বাধীনতা ও মানবতাবিরোধীদের বিচার বিএনপি চায়- এ মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “তবে এখন যাদের আটক করে দলীয় লোকজনকে দিয়ে ট্রাইব্যুনালে বিচার হচ্ছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়।”

এ সময় তিনি জামায়াত নেতাসহ সব রাজবন্দিদের মুক্তি দাবি করেন।

আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন নয়

বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, “ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে তারা সংবিধান সংশোধন করেছে। সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও আল্লাহর ওপর আস্থা-বিশ্বাস উঠিয়ে দিয়েছে। এখন আওয়ামী লীগ বলছে, তাদের অধীনে নির্বাচন করতে হবে। আমি বলে দিতে চাই- আওয়ামী লীগের অধীনে এদেশে আর কোনো নির্বাচন হবে না।”

সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন কমিশন গঠন করার দাবিও জানান তিনি।

টিপাইমুখ বাঁধ

খালেদা জিয়া সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই বাঁধ হলে দেশের মহাসর্বানাশ হয়ে যাবে। এ বাঁধ নিয়ে সিলেট উত্তাল হয়ে উঠেছে। সরকার কোনো কথা বলছে না। আমরা সরকারকে বলবো, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে শক্ত অবস্থান নিন। নইলে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান।”

“ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব আছে, থাকবে। কিন্তু টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ ও ভারতের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে গ্যাস উত্তোলনে কোনো ভারি যন্ত্রাংশ বাংলাদেশ দিয়ে যেতে দেওয়া হবে না”, যোগ করেন তিনি।

মহানগর বিএপির সভাপতি কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি অলি আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এ কে এম নাজির আহমেদ, খেলাফত মজলিশের চেয়ারম্যান মওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম আল মামুন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি প্রমুখ নেতারা বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, তরিকুল ইসলাম, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রমুখ নেতা বক্তব্য দেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে খালেদা জিয়া ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

সাক্ষাত্কারে সাদেক হোসেন খোকা সরকার উল্টাপাল্টা কাজ করে যাচ্ছে, অতীতে বিএনপিও করেছিল


সাক্ষাত্কারে সাদেক হোসেন খোকা

প্রথম আলো: সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে (ডিসিসি) দুই ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
সাদেক হোসেন খোকা: সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক চতুর্দশ শতকে অযাচিতভাবে দিল্লি থেকে ৭০০ মাইল দক্ষিণের দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তর করে সে সময়ে লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছিলেন। বর্তমানে সরকার সেই রকম তুঘলকি সিদ্ধান্তই নিয়েছে। কারও দাবি বা প্রত্যাশা ছাড়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত কোনো মানদণ্ডেই পড়ে না। আসলে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে কোনো দলেরই মাথা ঠিক থাকে না। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার কারণেই সরকার উল্টাপাল্টা কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে বিএনপিও তা করেছিল।

প্রথম আলো: ডিসিসির কাউন্সিলর, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিষয়টিকে কীভাবে নিয়েছেন?
সাদেক হোসেন: ডিসিসির বোর্ডের সভায় সর্বদলীয় সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিবাদের মাধ্যমে তাঁদের ভাষাও এরই মধ্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে।

প্রথম আলো: সরকার কী উদ্দেশ্যে কাজটি করতে যাচ্ছে বলে আপনি মনে করেন?
সাদেক হোসেন: ভালো কোনো উদ্দেশ্য নেই। ঢাকার ৪০০ বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গর্বকে দুই টুকরো করার নকশামাত্র। আসলে ক্ষমতাসীন দল মনে করে, মেয়র হিসেবে আমি সরকারবিরোধী বলয়ে বড় ভূমিকা রাখছি। মূলত আমাকে কাবু করার জন্যই সরকার ঢাকাকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুই ভাগ করা হলে আমার জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ করা সম্ভব হবে। এর একটাই অর্থ হতে পারে—সরকার নির্বাচনের আগেই আমাকে বিজয়ী ঘোষণা করেছে। ভেবে ভালো লাগছে যে আমি সরকারের কাছে ফ্যাক্টর। বিষয়টি আমার জন্য একদিকে যেমন বিজয়ের, অন্যদিকে হতাশার। কারণ আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা ঢাকা শহরে। আমার চোখের সামনেই একসময়ের ছোট শহর ঢাকা এখন বিশাল মহানগরী। ৪০০ বছরের পুরোনো এই শহর কেবল বাংলাদেশের রাজধানীই নয়, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের লীলাভূমিও বটে। অথচ এখন আমার কারণেই সেই শহরকে ভেঙে দুই ভাগ করা হচ্ছে। সে জন্যই আমি এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছি, প্রয়োজনে আমি নির্বাচন করব না। তবুও সরকার যেন এ ধরনের হীন কাজ থেকে বিরত থাকে।

প্রথম আলো: আপনি কি মনে করেন, অখণ্ড ঢাকাতে নির্বাচন হলে আপনিই জিতবেন?
সাদেক হোসেন: এটা সত্য, ডিসিসি নির্বাচনে আমাকে পরাজিত করার মতো কোনো প্রার্থী বা জনমত আওয়ামী লীগের নেই। সে জন্যই তারা রাজধানীবাসী, সুশীল সমাজ ও গণমাধ্যমের বিরোধিতা সত্ত্বেও রাজধানী শহরকে দ্বিখণ্ডিত করার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরো বিষয়টিই রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপ্রসূত।

প্রথম আলো: বিদ্যমান আইনে প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ থাকলে সরকার কি রাজধানীকে ভাগ করার চিন্তাভাবনা করত?
সাদেক হোসেন: প্রশ্নই আসে না। প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ থাকলে সময় নষ্ট না করে তারা আমাকে সরিয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসক নিয়োগ করে দিত। মূলত আমাকে সরিয়ে প্রশাসক নিয়োগ করার জন্যই ডিসিসিকে দুই ভাগ করা হচ্ছে। এটা হলো একধরনের স্থূল রাজনৈতিক কৌশল।

প্রথম আলো: ঢাকাকে ভাগ করা হলে কী ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন?
সাদেক হোসেন: দেখুন, ঢাকার কোনো প্রাকৃতিক সীমানা নেই, যা দিয়ে ভাগ করা যায়। কোন মানদণ্ডে ভাগ করা হবে? রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি, গ্যাস, বিদ্যুত্সহ অন্যান্য সেবা খাতের জন্যই কি দুটি করে কর্তৃপক্ষ হবে? রাজধানীতে যেসব যানবাহন আছে, তাদের নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ কে হবে? সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে আছে, বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা। রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে। কিন্তু এখন দুই ভাগ হলে কোন অংশটি রাজধানী হিসেবে চিহ্নিত হবে? সুতরাং এ নিয়ে সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা আছে। সচিবালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বঙ্গভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনগুলো কোথায় থাকবে? এ নিয়ে যদি রাজধানীর উত্তর এবং দক্ষিণের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। আরও যা ঘটতে পারে, ঢাকায় জনসংখ্যার চাপ বাড়বে। কৃষিজমি, জলাশয়, খাল, নদী ভরাট হবে। তারপর একসময় রাজধানী বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে—সবই আশঙ্কা। ভবিষ্যত্ই বলবে, কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে পরিণতি যে ভয়াবহ হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

প্রথম আলো: ঢাকা ভাগ না করে সরকারের কী করা উচিত ছিল বলে আপনি মনে করেন?
সাদেক হোসেন: আওয়ামী লীগের নেতা মেয়র হানিফ সাহেব যা চেয়েছিলেন, আমি তা-ই চেয়েছি। কিন্তু করতে পারিনি। আমরা চেয়েছিলাম ওয়াসা, রাজউক ও ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে ডিসিসির অধীনে নিতে। এতে প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমে যেত। জনগণের জন্য দেওয়া সেবার মান বাড়ত। এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ কাজটি করলে তাতে রাজধানীবাসী উপকৃত হতো। এ সরকার আরও যা করতে পারত, সিটিকে একাধিক অঞ্চলে ভাগ করে একাধিক ডেপুটি মেয়রের পদ তৈরি করতে পারত। তাতে সিটি করপোরেশন অনেক বেশি শক্তিশালী হতো।

প্রথম আলো: সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিএনপি থেকে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন কর্মসূচির করার চিন্তাভাবনা আছে কি?
সাদেক হোসেন: এখনই তো ঢাকাবাসী বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিবাদ করে যাচ্ছে। কাউন্সিলররা মানববন্ধন করছেন। এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি নেওয়া যায় কি না, সেটা দলীয় পর্যায়ে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। একই সঙ্গে ঢাকাবাসীদের নিয়েও আন্দোলন-কর্মসূচি গ্রহণের সম্ভাবনার বিষয়টি আমি এবং আমাদের কাউন্সিলরদের চিন্তাভাবনায় রয়েছে।

Monday, August 8, 2011

খালেদার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা


ঢাকা, অগাস্ট ০৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে জমি কেনায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর এটাই বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রথম মামলা।

সোমবার বিকালে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুনূর রশীদ।

মামলায় অভিযোগ করা হয়- কেনার সময় জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়, যার কোনো উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি।

ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে এ মামলায় বিরোধীদলীয় নেতাকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, রাজনৈতিক সচিবের এপিএস (বর্তমানে বিআইডাব্লিউটিএ-এর পরিচালক- নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগ) জিয়াউল ইসলাম ও ঢাকার মেয়রের এপিএস মনিরুল ইসলাম খান।

মামলায় বলা হয়েছে, ২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শাখায় 'শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে একটি হিসাব খোলা হয়। এতে ৭ দিনের মধ্যে জমা হয় ৭ কোটি ৮০ লাখ ৮৯ হাজার ৫২৯ টাকা। এর মধ্যে ৬ কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৫২৯ টাকা বিএনপির দলীয় তহবিল থেকে আসে।

বাকি টাকার মধ্যে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা মেট্রো মেকার্স ডেভেলপার্স লিমিটেড এবং ২৭ লাখ টাকা জিয়াউল ইসলামের কাছ থেকে ওই হিসাবে আসে।

দুদকের অভিযোগ, বিএনপির দলীয় ফান্ডের টাকা ছাড়া বাকি টাকার কোনো বৈধ উৎস নেই। তখনকার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার দাপ্তরিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন উৎস থেকে ওই অর্থ সংগ্রহ ও জমা করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, "দুদকের তদন্তের সময় মেট্রো মেকার্স ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এফ এস জাহাঙ্গীর ওই ট্রাস্টে টাকা দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাদেক হোসেন খোকার এপিএস মনিরুল ইসলাম মেট্রো মেকার্সের নাম ব্যবহার করে ওই অর্থ জমা দেন।

"এ বিষয়ে মনিরুল ইসলাম দুদককে বলেছেন, হারিছ চৌধুরীর দেওয়া টাকা পে অর্ডারের মাধ্যমে তিনি ওই হিসাব নম্বরে জমা দিয়েছেন।"

একইভাবে জিয়াউল ইসলামও দুদককে বলেছেন, নির্দেশ ছিল বলেই তিনি টাকা জমা দিয়েছেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানম নামে এক নারীর কাছ থেকে 'শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। ওই জমির মূল্য বাবদ বিক্রেতাকে ট্রাস্টের ব্যাংক হিসাব থেকে ৬ কোটি ৫২ লাখ ৭ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়।

দুদকের অনুন্ধানে দেখা যায়, এই মূল্যের বাইরেও বিক্রেতাকে আরো ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ৯৩ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। এই অর্থের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য খালেদা জিয়াকে ৪ দফা চিঠি দেওয়া হলেও তিনি আসেননি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More