Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label জামায়াতে ইসলামী. Show all posts
Showing posts with label জামায়াতে ইসলামী. Show all posts

Sunday, August 7, 2011

জামায়াত নেতাদের মুক্তির মোনাজাতে খালেদা জিয়া


রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের সম্মানে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া। গতকাল শনিবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম খালেদা জিয়াকে ইফতার মাহফিলে স্বাগত জানান। ইফতারের আগে জামায়াতের নায়েবে আমির আবদুস সুবহান একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মুক্তি ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করেন। ক্ষমতাসীন সরকারকে ‘আগ্রাসী শক্তি’ উল্লেখ করে তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এর থেকে মুক্তি চেয়ে দোয়া করেন। মোনাজাতে খালেদা জিয়া ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি অলি আহমদসহ অন্য নেতারা অংশ নেন। 
এর আগে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ স্বাগত বক্তব্যে বলেন, তথাকথিত যুদ্ধাপরাধের মামলায় জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ১৩ মাস ধরে আটক রাখা হয়েছে। তাঁরা আজ মুক্তভাবে রোজাও রাখতে পারছেন না।
মঞ্চে খালেদা জিয়ার ডানে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও বাঁয়ে অলি আহমদসহ চারদলের শরিক ও সমমনা দলের ১৭ জন নেতা বসেন। ইফতারের পর খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ জামায়াতের কয়েকজন নেতার সঙ্গে চা-চক্রে মিলিত হন। সেখানে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক বিষয়সহ রোজার পর আন্দোলন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানান একজন নেতা।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আর এ গনি, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, তরিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম মিয়া, সহসভাপতি সেলিমা রহমান, রাজিয়া ফয়েজসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা ইফতারে অংশ নেন।
শরিক দলের মধ্যে খেলাফত মজলিসের আমির মুহাম্মদ ইসহাক, বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আবদুল লতিফ নেজামী, সমমনা দলের মধ্যে জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বাংলাদেশ ন্যাপ সভাপতি জেবেল রহমান গানি, লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, এলডিপি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রেদোয়ান আহমেদ, কবি আল মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাকে উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন, আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ অংশ নেন।
জামায়াতের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইফতারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার আবদুল হামিদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামসহ ২২ জন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া বিকল্পধারার সভাপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী, জাসদের সভাপতি আ স ম আবদুর রবসহ আরও কয়েকজন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে তাঁরা কেউ-ই আসেননি।

Tuesday, July 26, 2011

সারা দেশে বিএনপি-জামায়াতের বিক্ষোভ বৃহস্পতিবার

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী আগামী বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ মঙ্গলবার উভয় দল পৃথক সংবাদ সম্মেলনে প্রায় একই দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে।
দ্রব্যমূল্য কমানো, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানকে জড়ানো, নুরুল ইসলামের খুনিদের ফাঁসি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার সারা দেশে বিএনপি বিক্ষোভ সমাবেশ করবে। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
মির্জা ফখরুল সরকারের উদ্দেশে বলেন, ‘পারলে দাবি মেনে নেন। নইলে ক্ষমা ছাড়েন।’ সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান ও রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে আজ দুপুরে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম একই দিন দেশের সব মহানগর, জেলা ও উপজেলাকেন্দ্রে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রাজধানীর বড় মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজহারুল ইসলাম বলেন, দ্রব্যমূল্য কমানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, গ্যাস বিদ্যুত্ ও পানি সংকটের সমাধান এবং দলের শীর্ষ নেতাদের মুক্তির দাবিতে এ বিক্ষোভ সমাবেশে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এ কর্মসূচি বিএনপি চারদলীয় জোটের শরিক দলগুলো যুগপত্ভাবে পালন করবে বলে তিনি জানান।
দ্রবমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করে আজহারুল বলেন, সরকার ১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়ানোর কথা বলে এখন ৩৪ থেকে ৫৮ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াচ্ছে। এ সময় তিনি চারদলীয় জোট সরকারের সময়কার ও বর্তমান সরকারের আড়াই বছর সময়কার দ্রব্যমূল্যর তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল দাবি করেন, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা রাজনৈতিক ব্যানারে থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। এ সরকারের সময় আট হাজার ৬১৮ জন খুন হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১২৬০ জন নারী। আর রাজনৈতিক খুনের শিকার হয়েছেন ৪০০ জন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের কংগ্রেস দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমনে যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, সে সম্পর্কে জামায়াত নেতা বলেন, ‘ভারত নিজেই জঙ্গি দমন করতে পারছে না। কয়েকদিন আগেই তাদের দেশে একটি হোটেলে জঙ্গি হামলা হয়েছে। আমাদের দেশের প্রশাসনই জঙ্গিবাদ দমনে যথেষ্ট।’
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার হাসিনা-সোনিয়া হোটেল রূপসী বাংলায় সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী সেক্রেটারি শফিকুর রহমান, নির্বাহী পরিষদের সদস্য রফিউদ্দিন, রফিকুল ইসলাম খান, এ টি এম মাসুম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।প্রথম আলো

Friday, July 15, 2011

ভালো মানুষের তালিকায় জামায়াতের নেতারা থাকবেন

জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম নাজির আহমদ বলেছেন, দেশে ১০০ জন ভালো মানুষের তালিকা করা হলে সেখানে অবশ্যই জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের নাম থাকবে।
আজ শুক্রবার সকালে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি এসব কথা বলেন। 
বেলা ১১টায় মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে 
শুরার অধিবেশন শুরু হয়। এতে ২২ জন নারী সদস্যসহ ২২২ জন অংশ নিয়েছেন। 
নাজির আহমদ বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কেউ বিন্দু পরিমাণে জড়িত ছিলেন না। কল্পকাহিনি সাজিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। এই নিরপরাধ মানুষগুলোকে মুক্তি দিয়ে কোটি কোটি মানুষকে শান্ত করতে সরকারের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
এ সময় দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আবুল কালাম মো. ইউসুফ, মাওলানা আবদুস সোবহান, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুর রাজ্জাক, শফিকুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More