সেদিন বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন। ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তা-ই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে...।’
রাষ্ট্রীয়ভাবে আজকের এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে।
বাণী: দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ঘোষিত ‘ভিশন-২০২১’ বাস্তবায়নে সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষুধা, দারিদ্র্য, শোষণ, বঞ্চনা ও সন্ত্রাস চিরতরে দূর করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের ঐকান্তিক সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাতই মার্চের সব কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য সংগঠনের সব শাখা, সহযোগী সংগঠন, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী, সর্বস্তরের জনগণ ও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।







