Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label প্রতারক. Show all posts
Showing posts with label প্রতারক. Show all posts

Tuesday, July 26, 2011

আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন এ রাজা

ভারতের সাবেক টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এ রাজা ২জি (দ্বিতীয় প্রজন্মের) মোবাইল ফোনের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। গতকাল সোমবার নয়াদিল্লির একটি বিশেষ আদালতে হাজির করা হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
লাইসেন্স দেওয়ার সময় দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে এ রাজাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। ভারতের জাতীয় নিরীক্ষকের মতে, এই দুর্নীতির ফলে সরকারের চার হাজার কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। তবে আদালতে কৌঁসুলিরা দাবি করেন, পুলিশি তদন্তে দেখা গেছে, এই দুর্নীতির ঘটনায় সরকারের ৬৭০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতি হয়।
এ ঘটনায় ভারতের ক্ষমতাসীন জোট সংযুক্ত প্রগতিশীল মোর্চার (ইউপিএ) শরিক দল ডিএমকের নেতা এ রাজার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালতে গতকাল রাজার আত্মপক্ষ সমর্থনের একটি বিবৃতি পড়ে শোনানো হয়। বিবৃতিতে রাজা বলেন, লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের নীতি অনুযায়ীই তিনি সব পদক্ষেপ নিয়েছেন। এ কারণে যদি তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ হয়, তাহলে ১৯৯৩ সালের পর ভারতের সব টেলিযোগাযোগমন্ত্রীকে তাঁর সঙ্গে কারাগারে থাকতে হবে। বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ সিদ্ধান্তে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কীভাবে শুধু একজনের বিচার হয়?
সাবেক মন্ত্রী রাজা গত ফেব্রুয়ারি থেকে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। তিনিসহ এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ১৬ জনের বিচার চলছে। এএফপি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।প্রথম আলো

Friday, July 15, 2011

নোয়াখালীতে শিক্ষানবিশ ২৩ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের ভুয়া পরিচয়ে নিয়োগ পেয়ে নোয়াখালীতে শিক্ষানবিশ ২৩ জন কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নোয়াখালী থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া কনস্টেবলদের গতকালই ঢাকার গেন্ডারিয়া থানার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের বাড়ি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়।
নোয়াখালী পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ওই ২৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয়ে ভুয়া সনদ দাখিল করে গত জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে ঢাকার গেন্ডারিয়ার মিলব্যারাকে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগ লাভ করেন। নোয়াখালী পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তাঁদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ শুরু হয় গত ৫ ফেব্রুয়ারি। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ওই সব কনস্টেবলের স্থায়ী ঠিকানা ও সনদ যাচাই-বাছাই করে। এতে তাঁদের অভিভাবকদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয়।
এরপর ৭ জুলাই গেন্ডারিয়া থানায় ওই ২৩ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা করেন মিলব্যারাকের এক পুলিশ কর্মকর্তা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গেন্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ছরোয়ার জাহান একদল পুলিশ নিয়ে গতকাল বিকেলে নোয়াখালী পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এসে ওই ২৩ কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করেন। 
প্রশিক্ষণকেন্দ্রে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার হওয়া কনস্টেবলদের নাম-পরিচয় জানাতে চাননি। 
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গতকাল রাতে প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কমান্ড্যান্ট শৈবাল কান্তি চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ওই ২৩ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের অনুরোধে তাঁদের ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ওই ২৩ ব্যক্তি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের ভুয়া পরিচয় দিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা হিসেবে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু পরে তদন্তে প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়টি বেরিয়ে এলে তাঁদের প্রশিক্ষণ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
গেন্ডারিয়া থানার এসআই মো. ছরোয়ার জাহান গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়া ২৩ কনস্টেবল নিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকায় আসছি।’
প্রথম আলো

Sunday, July 10, 2011

পাকিস্তানের পতাকা, সরকারবিরোধী প্রচারপত্রসহ আটক ৭

পুরান ঢাকার একটি বিদ্যালয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানের পতাকা, সরকারিনীতির বিরুদ্ধে প্রচারপত্র, ধর্মীয় বই, জামায়াতের নেতাদের মুক্তির পোস্টারসহ সাত শিক্ষককে আটক করেছে। আজ শনিবার এ ঘটনা ঘটে।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, শিক্ষক নূরে আলম সিদ্দিকী, ইসমাইল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম, মো. ওবায়দুল্লাহ ও রুস্তম আলী।
কোতোয়ালি থানা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ১০টার পর পুলিশ ২৭/১ সৈয়দ আওলাদ হোসেন লেনের ঢাকা মডেল প্রি ক্যাডেট অ্যান্ড হাইস্কুলে অভিযান চালায়। পুলিশ ওই স্কুলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা থেকে পাকিস্তানের পতাকা, সরকারিনীতির বিরুদ্ধে প্রচারপত্র, সিডি, ক্যাসেট ও হরতালের সমর্থনে ছাপানো পোস্টারসহ বিভিন্ন সরকার বিরোধী বিপুল লিফলেট জব্দ করে।
কোতোয়ালি থানার ওসি সালাউদ্দিন খান প্রথম আলোকে বলেন, বিকেল চারটার দিকে পুলিশ অভিযান শেষ করে। তিনি বলেন, আটক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ৭২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। অন্যরা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
তাঁরা আওলাদ হোসেন লেনে ওই বাড়িটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা স্কুলের জন্য ভাড়া নিয়েছিল। কিন্তু সেখানে তারা সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিল। তারা দেশের পতাকা চেয়ার, বেঞ্চ ও টেবিল মোছার কাজে ব্যবহার করত। পুলিশ এদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলে তিনি জানান।

Monday, July 4, 2011

দালালদের দৌরাত্ম্য ও দূতাবাসের ব্যর্থতা!

বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার ইরাকে এখন জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিযোগ, গুটিকয়েক বাংলাদেশি দালালের অপকর্ম আর ইরাকে বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যর্থতায় শ্রমবাজারটি চালু হচ্ছে না।
তবে ইরাকের বাংলাদেশ দূতাবাস ও দেশের জনশক্তি রপ্তানিকারকেরা আশা করছেন, দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সেখানে বাংলাদেশের শ্রমবাজার চালু হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের দপ্তরে সম্প্রতি ইরাকপ্রবাসী কয়েকজন লিখিতভাবে অভিযোগ পাঠিয়েছেন। তাতে ইরাকে শ্রমবাজার নষ্ট করার জন্য দালাল ও দূতাবাসের শ্রম শাখার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালে কুয়েত যুদ্ধের সময় ইরাকে বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক আক্রমণের পর সেখান থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। তবে জনশক্তি রপ্তানির ব্যাপক চাহিদার ভিত্তিতে ২০০৯ সালের অক্টোবরে ইরাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও শ্রম কাউন্সিলর নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালের শেষ দিকে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকে বাংলাদেশের লোক পাঠানো শুরু হয়। এরপর ২০১০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত হাজার দুয়েক লোক সেখানে গেলেও এখন দেশটিতে লোক পাঠানো বন্ধ। গত পাঁচ মাসে দেশটিতে গেছেন মাত্র নয়জন লোক।
আবু সাঈদ, সেলিম হাজারী, মিনহাজউদ্দিন, আজাদ রহমান খান, আইয়ুব হোসেন, বাদশা মিয়াসহ আরও কয়েকজন ইরাকপ্রবাসী মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, দূতাবাস চালু হওয়ার পর থেকেই একশ্রেণীর দালাল ইরাকের শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। এই সমস্যা সমাধানে ১১ সদস্যের বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ সমিতি গঠন করা হয়। কিন্তু সমিতির বেশির ভাগ সদস্যই পরে দালাল হিসেবে বাংলাদেশ থেকে লোক আনা শুরু করেন। তাঁদের নানা অপকর্ম ইরাকের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এখন বাজার ঠিক করতে হলে ওই দালাল চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। কিন্তু তা না করে দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা উল্টো দালালদেরই সহায়তা করছেন।
এদিকে ঢাকায় কয়েকজন প্রথম আলোকে বলেন, দালালেরা বাংলাদেশ থেকে লোক নেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ভুক্তভোগীদের একজন আবদুল বাতেন প্রথম আলোকে বলেন, ইরাকে ২৫ জন লোক পাঠানোর কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা নিয়েছিলেন জনৈক কুদ্দুস। কিন্তু তিনি একজন লোকও পাঠাননি, টাকাও ফেরত দেননি। আরেক বাংলাদেশি ওয়াহিদুজ্জামান খোকন বলেন, তিনিও দালালদের ৩০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু মাত্র চারজন লোক পাঠিয়ে আর পাঠাচ্ছেন না, টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না।
প্রবাসীকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি, দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে বসবাসরত আবু সাঈদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কমিটির কয়েকজন সদস্য নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। তাই শ্রমিকদের দাবি অনুযায়ী কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন সরকারের উচিত দায়ী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু সেটি না করে উল্টো যাঁরা দালাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিচ্ছেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এসব সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে ইরাকে বাংলাদেশের শ্রম কাউন্সিলর জিয়াদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইরাকে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ থাকার অন্যতম কারণ, সেখানে কাজের পরিবেশ ঠিক হয়নি। রাজনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে পটপরিবর্তন। এসব কারণে বাজারটা গড়ে উঠছে না।’ তিনি বলেন, ‘একশ্রেণীর দালাল অসাধু প্রক্রিয়ায় এখানে লোক আনতে চায়।’
জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরী বলেন, সরকার ইরাকে কিছু চাহিদাপত্রে অনুমতি দিলেও শেষ পর্যন্ত এসব লোক পাঠানো যায়নি। সেখানকার পরিবেশ এখনো সুশৃঙ্খল হয়নি।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More