Total Pageviews

Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label রায়. Show all posts
Showing posts with label রায়. Show all posts

Tuesday, July 5, 2011

পরিচালকের স্ত্রীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে সুবিধাভোগী বা ইনসাইডার লেনদেনের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি পুঁজিবাজারের আইন অনুযায়ী কোম্পানির স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য লেনদেন নিষিদ্ধ সময়ে শেয়ার কেনাবেচা করেছেন। আর বিধিবহির্ভূত এ লেনদেনের মাধ্যমে কোটি টাকা মুনাফা করেন তিনি।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সম্প্রতি সুবিধাভোগী এ লেনদেনের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েব সাইটে গতকাল সোমবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এসইসি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা করার দিন থেকে পরবর্তী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে অর্থ পরিশোধ না করলে বিধি অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা হবে।
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী লেনদেন নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালায় তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক, উদ্যোক্তা শেয়ারধারী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাঁদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যার শেয়ার কেনাবেচায় কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এ নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী হিসাব-বছর শেষ হওয়ার দুই মাস আগে থেকে পরিচালনা পর্ষদের সভায় আর্থিক বিবরণী অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা নিজ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন করতে পারেন না। একই নিয়ম সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নিরীক্ষক ও আইন পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাঁদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যাদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
কোম্পানির বিভিন্ন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য জনসাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করার আগেই এসব ব্যক্তির তা জানার সুযোগ রয়েছে। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাঁরা যাতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের চেয়ে বাড়তি সুবিধা না নিতে পারেন, সে জন্যই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
কিন্তু সুবিধাভোগী লেনদেন নিষিদ্ধকরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করে ম্যাকসন্সের স্বতন্ত্র পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী জেবুন নাহার মঈন ওই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেন বলে এসইসির অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।
এসইসি সূত্র জানায়, পরিচালক স্বামীর মাধ্যমে তিনি কোম্পানির গোপন আর্থিক তথ্য আগেভাগে জেনে লভ্যাংশ ঘোষণার আগের চার দিনে শেয়ার কেনেন। এর এক মাসের মাথায় কোম্পানিটির রাইট শেয়ার ছাড়ার ঘোষণা আসে।
জানা গেছে, ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলের হিসাব-বছর ১ অক্টোবর শুরু হয়ে শেষ হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। ২০১০ সালের ২৫ জানুয়ারি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০০৯ সমাপ্ত হিসাব-বছরের আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করে। এ সময় শেয়ারধারীদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। এই হিসেবে কোম্পানির ইনসাইডারদের ১ আগস্ট থেকে ২০১০ সালের ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শেয়ার লেনদেনে অংশ নিতে পারার কথা নয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও জেবুন নাহার মঈন ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলের শেয়ার লেনদেনে অংশ নেন।
এসইসি বলছে, বোনাস ও রাইট শেয়ার ছাড়ার তথ্য আগে থেকে জেনেই জেবুন নাহার শেয়ার লেনদেন করেছেন। এ সময় তিনি কোম্পানিটির দুই লাখ শেয়ার কেনেন। আবার লভ্যাংশ ঘোষণার দুই দিন পর থেকে তা বিক্রি শুরু করেন, যার মাধ্যমে তিনি প্রায় কোটি টাকা মুনাফা করতে সক্ষম হন।
বিষয়টি নজরে এলে গত বছরের ২ অক্টোবর জেবুন নাহার মঈনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এসইসি। একই সঙ্গে তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে তাঁর কোনো জবাবই গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি।
অবশ্য এর আগে স্ত্রীকে সহযোগিতা করার জন্য স্বতন্ত্র পরিচালক মঈন উদ্দিন চৌধুরীকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে অপসারণ করতে ম্যাকসন্স স্পিনিং মিল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল এসইসি। গত ২১ জুন জারি করা ওই নির্দেশ অনুযায়ী কোম্পানি মঈন উদ্দিন চৌধুরীকে অপসারণ করেছে বলে জানা গেছে।

Monday, July 4, 2011

তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা, জুলাই ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সম্পূরক অভিযোগপত্র দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ পলাতক ১৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী রোববার সন্ধ্যায় এই পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল্লাহ আবু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। পাশাপাশি ওই ১৮ জনের মালামাল ক্রোকেরও পরোয়ানা জারি হয়েছে।

এই ১৮ জন হলেন- তারেক রহমান, খালেদার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপির সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হানিফ, অবসরপ্রাপ্ত আইজিপি মো. আশরাফুল হুদা, শহুদুল হক ও খোদা বখশ চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত এএসপি আব্দুর রশিদ ও মুন্সী আতিকুর রহমান, বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এটিএম আমিন, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর হোমায়রা ওরফে পীর সাহেব বাবা, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, বাবু ওরফে রাতুল বাবু, মো. ওবায়দুর রহমান, খান সাইদ হাসান।

একই ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে জমা দেওয়া সম্পূরক অভিযোগপত্রটি মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও পিপি জানান।

এর আগে দুপুরে তারেক, হারিছ, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে আসামির তালিকায় যোগ করে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মমালায় তারেককে পলাতক দেখানো হয়েছে বলে আবদুল্লাহ আবু জানান।

২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ' লোক আহত হন।

বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময় এ মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। কয়েকজন তদন্ত কর্মকর্তার হাত ঘুরে সেনা সমর্থিত বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৮ সালের ১১ জুন সিআইডি কর্মকর্তা ফজলুল কবীর ২২ জনকে আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে রাষ্ট্র্রপক্ষের আবেদনে ২০০৯ সালের ৩ অগাস্ট আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয়। এরপরই সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার কাহহার আকন্দ মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পান।

রোববার আব্দুল কাহহার আকন্দের পক্ষে সিআইডির পরিদর্শক সামিউল বাসিত ওই ঘটনায় দায়ের হত্যা মামলায় একটি এবং বিস্ফোরক মামলায় আরেকটি অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেন।

অভিযোগপত্র জমা পড়ার পর ঢাকা মহানগর জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু সাংবাদিকদের জানান, তখনকার প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তারেক প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই হামলা পরিকল্পনা করেন এবং আসামিদের পালাতে সহযোগিতা করেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অভিযোগ করেছে, ১৪টি মামলার আসামি তারেককে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। এর প্রতিবাদে সোমবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ-সমাবেশও করবে বিএনপি।

সম্পূরক অভিযোগপত্রে নতুন ৩০ জনসহ দুই মামলায় মোট আসামি সংখ্যা দাঁড়ালো ৫২ জনে। এ ছাড়া ৮৩ জনকে নতুন করে সাক্ষী করা হয়েছে। এদের নিয়ে দুই মামলায় এখন সাক্ষীর সংখ্যা ৪৯১ জন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/এমআই/জেকে/১৯২৬ ঘ.

Thursday, June 30, 2011

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল


সংবিধান
জাতীয় সংসদে সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) বিল ২০১১ পাস হয়েছে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ২৯১টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে একটি। এই বিল পাসের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলো। এখন সংসদ নির্বাচন হবে দলীয় সরকারের অধীনে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে সংসদের আইন প্রণয়ন কার্যাবলিতে বিলটি পাসের জন্য আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ উত্থাপন করেন। এরপর সংশোধন বিলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার বিষয়ে আপত্তিসহ নয় সাংসদের আনা সংশোধনী প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হয়। পরে প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। এরপর দুই দফায় বিভক্তি ভোটে বিলটি পাস হয়।
মহাজোটের সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য নির্ধারিত চারটি লবিতে ভোট দেন। একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম ‘না’ ভোট দেন।
স্পিকার আবদুল হামিদ বিভক্তি ভোট দেওয়ার আগে দুই মিনিট ঘণ্টা বাজিয়ে সংসদের লবিগুলো বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন।
সংসদ সচিবালয়ের চার কর্মকর্তা এ ভোটের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরে স্পিকার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন।
প্রথম আলো

Friday, June 24, 2011

অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের ২২টি বিলবোর্ড অপসারণ


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) গতকাল রাজধানীর বনানী থেকে শুরু করে বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের বিলবোর্ড অপসারণ করে। রাজউকের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের অধীনে দিনব্যাপী এ অভিযানে পাঁচটি আবাসন প্রকল্পের ২২টি বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়।
আবাসন প্রকল্পসংশ্লিষ্ট হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নের প্রাথমিক কাজ হিসেবে এ উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে রাজউক। রাজউক মঙ্গলবার থেকে এ অভিযান শুরু করে। 
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সকালে নগরের বনানী এলাকা থেকে বিলবোর্ড-সাইনবোর্ডগুলো অপসারণের কাজ শুরু হয়। বনানীতে ওমেগা রিয়েল স্টেটের বিলবোর্ড অপসারণের মধ্য দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। দিনব্যাপী অভিযানে ওমেগা রিয়েল স্টেট, জেনোভ্যালি পিংক সিটি, ফোর সিজনস হোল্ডিংস, গ্রীন কনসেপ্ট হাউজিং ও বেস্টওয়ে গ্রুপের ২২টি বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়। বনানী, নেভি হেডকোয়ার্টারের বিপরীতে, জিয়া কলোনির সামনে, খিলক্ষেতের কুড়াতলী এলাকা থেকে এসব বিলবোর্ড সরানো হয়। 
অভিযান পরিচালনাকারী দলের সূত্র জানিয়েছে, বিলবোর্ড-সাইনবোর্ড অপসারণকালে তাঁরা কোনো ধরনের বাধার মুখে পড়েননি। তবে বিলবোর্ডগুলো অনেক উঁচুতে থাকার কারণে অপসারণে বেশি সময় লেগেছে। বিকেলের মধ্যেই অভিযান পরিচালনাকারী দল নির্ধারিত কাজ শেষ করতে পেরেছে। অভিযান শেষে অপসারণ করা বিলবোর্ড-সাইনবোর্ডগুলো ট্রাকে করে রাজউকের মহাখালী গোডাউনে নেওয়া হয়। এগুলো সেখানে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছে রাজউক কর্তৃপক্ষ। 
রাজউকের উপনগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশের আলোকে অননুমোদিত আবাসন প্রকল্পের বিলবোর্ড-সাইনবোর্ড অপসারণে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চলবে।’ 
মো. সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে গতকালের অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেট রোকনউদ্দৌলা, দুজন অনুমোদনকারী কর্মকর্তা, একজন সহকারী পরিকল্পনাবিদ, সার্ভেয়ারসহ ১৩ জনের একটি দল অংশ নেয়। তাদের সঙ্গে এক প্লাটুন পুলিশ ও ২০ জন শ্রমিক ছিলেন।
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছিল, অননুমোদিত আবাসন কোম্পানি ও প্রকল্পগুলো প্লট বিক্রির জন্য কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে না। রায়ে অননুমোদিত বেসরকারি আবাসন প্রকল্পের প্লট-ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য প্রচারিত সব বিজ্ঞাপন ও এ-সংক্রান্ত সাইনবোর্ড-বিলবোর্ড অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More