একাত্তরের
২১ নভেম্বর গভীর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের ৩৮ জনকে শহরের পৈরতলা
রেলব্রিজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি সেনারা। এই গণহত্যা
হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের নির্দেশে।
গোলাম আযমের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লেখ করা মানবতাবিরোধী অপরাধের
৫২টির একটি হলো এই গণহত্যা। তাঁর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ
(ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ৩(২) ধারায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা
এবং এ ধরনের অপরাধে নেতৃত্ব, সহায়তা, প্ররোচনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা
হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মানবতাবিরোধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গত
সোমবার এই অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে গ্রেপ্তার বা আটকের জন্য
পরোয়ানা জারিরও আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়া
হবে কি না, সে বিষয়ে আদেশের জন্য গতকাল মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল ২৬ ডিসেম্বর
দিন ধার্য করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, গোলাম
আযমের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ ট্রাইব্যুনাল আমলে নিলে
রাষ্ট্রপক্ষ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
জানতে চাইলে জামায়াতের আটক নেতাদের আইনজীবী দলের প্রধান আবদুর রাজ্জাক
প্রথম আলোকে বলেন, ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে প্রক্রিয়াধীন থাকায় এ
নিয়ে কোনো মন্তব্য করব না। তবে এটা বলা যায়, গোলাম আযম পাকিস্তানের অখণ্ডতা
চেয়েছিলেন এটা যেমন এক শ ভাগ সত্য, তেমনি এটাও এক শ ভাগ সত্য যে
মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে তাঁর দূরতম কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান
জামায়াতের আমির গোলাম আযমের চেষ্টায় শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস,
পাইওনিয়ার ফোর্স প্রভৃতি সহযোগী বাহিনী গঠিত হয়। তাঁর নেতৃত্বে ও নির্দেশে
এসব বাহিনী সারা দেশে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে এবং এসব অপরাধ করতে
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে।
অভিযোগ অনুসারে, কুমিল্লার হোমনা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের সিরু মিয়া
একাত্তরে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় দারোগা (উপপরিদর্শক) হিসেবে কর্মরত
ছিলেন। ২৮ মার্চ তিনি স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও ১৪ বছরের ছেলে আনোয়ার কামালকে
নিয়ে গ্রামের বাড়ি যান। সেখানে তিনি শরণার্থীদের ভারতে যাতায়াতে সাহায্য
করতেন। ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার তন্তর
চেকপোস্টের কাছে তিনি, তাঁর ছেলেসহ ছয়জন ভারতে যাওয়ার পথে রাজাকারদের হাতে
ধরা পড়েন। তাঁদের বিভিন্ন রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে কয়েক দিন নির্যাতনের পর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে পাঠানো হয়। আনোয়ারা বেগমের ভগ্নিপতি খিলগাঁও
সরকারি স্কুলের শিক্ষক মোহাম্মদ মুহসিন আলী খান সিরু ও আনোয়ারকে ছাড়াতে
গোলাম আযমের সঙ্গে দেখা করেন। পরে আরেক দিন তিনি গোলাম আযমের কাছে গিয়ে ওই
অনুরোধ জানান। গোলাম আযম ব্রাহ্মণবাড়িয়া শান্তি কমিটির নেতা পেয়ারা মিয়ার
কাছে এ বিষয়ে তাঁদের মারফত একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠি পড়ার পর পেয়ারা মিয়া
পত্রবাহককে গোলাম আযমের দেওয়া আরেকটি চিঠি দেখান, যাতে সিরু মিয়া ও তাঁর
ছেলেকে হত্যার নির্দেশ ছিল। পেয়ারা মিয়া পত্রবাহককে জানান, তাঁর আনা চিঠিতে
নতুন কিছু নেই। পরে ২১ নভেম্বর (পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন) রাতে সিরু মিয়া,
আনোয়ার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নজরুল ইসলামসহ ৩৯ জনকে পাকিস্তানি
সেনারা রাজাকার ও আলবদরদের সহযোগিতায় কারাগার থেকে পৈরতলায় নিয়ে গুলি করে।
এতে একজন ছাড়া বাকি ৩৮ জন মারা যান।
এ ঘটনায় গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, গণহত্যা ও এতে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাকি ৫১ অভিযোগ অনুসারে, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী, রাজাকার ও সহযোগী
বাহিনীগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সারা দেশে যেসব মানবতাবিরোধী অপরাধ
ঘটিয়েছে, নেতা হিসেবে গোলাম আযম এসব অপরাধ করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও নির্দেশ
দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি পাকিস্তানের তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীকে মানবতাবিরোধী
অপরাধ ও গণহত্যা করতে উৎসাহ, প্ররোচনা ও উসকানি দিয়েছেন।
গণহত্যায় প্ররোচনা: আনুষ্ঠানিক অভিযোগ অনুসারে, একাত্তরের ২ মে জামায়াতের
ঢাকার কার্যালয়ে কর্মিসভায় গোলাম আযম মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটনে
দলের নেতা-কর্মী ও অনুসারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। ১৭ মে ঢাকায় সাবেক এমএনএ আবুল
কাসেমের বাসভবনে এক সভায় গোলাম আযম ২৫ মার্চ মধ্যরাতে নিরস্ত্র বাঙালির
ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর সামরিক অভিযানকে সর্বাত্মক সমর্থন জানান। তিনি
মুক্তিযোদ্ধাদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ উল্লেখ করেন। ২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
শরীরচর্চা কেন্দ্রে এক সভায় তিনি গণহত্যাকে সমর্থন করেন। ১৪ আগস্ট কার্জন
হলে এক সভায় তিনি ‘ঘরে ঘরে দুশমন খুঁজে বের করে তাঁদের উৎখাতের মাধ্যমে’
গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য প্ররোচিত করেন।
শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী গঠন: অভিযোগ অনুসারে, ৪ এপ্রিল গোলাম আযমসহ
১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ‘খ’ অঞ্চলের সামরিক আইন
প্রশাসক টিক্কা খানকে নাগরিক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। দুই দিন পর গোলাম
আযম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হামিদুল হক চৌধুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের
পূর্ব পাকিস্তানের সভাপতি পীর মোহসীনউদ্দিন আহমদ ও এ টি সাদী আবার টিক্কা
খানের সঙ্গে দেখা করেন। ৯ এপ্রিল খাজা খয়েরউদ্দিনকে আহ্বায়ক ও গোলাম আযমকে
সদস্য করে ১৪০ সদস্যের নাগরিক শান্তি কমিটি গঠিত হয়। ১৫ এপ্রিল নাগরিক
শান্তি কমিটির নামকরণ করা হয় পূর্ব পাকিস্তানের জন্য কেন্দ্রীয় শান্তি
কমিটি এবং ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠিত হয়, যার সদস্য ছিলেন গোলাম আযম।
২১ এপ্রিল একে আরও গতিশীল করতে ছয় সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠিত হয়, যার দুই
নম্বর সদস্য ছিলেন গোলাম আযম।
অভিযোগ অনুসারে, ১৮ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রিপাবলিক স্কয়ারে এক সভায় গোলাম
আযম শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার
আহ্বান জানান। ১৭ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরে শারীরিক শিক্ষা
কেন্দ্রে রাজাকার শিবির পরিদর্শনকালে আলেম ও ইসলামি কর্মীদের প্রতি রাজাকার
ও মুজাহিদ বাহিনীতে ভর্তি হয়ে সশস্ত্র হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি ১
ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে বৈঠকে বলেন,
তথাকথিত মুক্তিবাহিনীকে মোকাবিলা করতে রাজাকাররাই যথেষ্ট। এ জন্য রাজাকারের
সংখ্যা বাড়াতে হবে।
রাজাকারদের অস্ত্র সরবরাহের আহ্বান: অভিযোগ অনুসারে, ১৯ জুন গোলাম আযম
রাওয়ালপিন্ডিতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে দেখা করে মুক্তিযোদ্ধাদের
মোকাবিলার জন্য রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহের আহ্বান
জানান। পরদিন লাহোরে জামায়াতের পশ্চিম পাকিস্তানের কার্যালয়ে সংবাদ
সম্মেলনে তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানে দুষ্কৃতকারীরা সক্রিয় রয়েছে এবং
তাদের প্রতিরোধের জন্য অস্ত্রসজ্জিত হওয়া উচিত। এমন কথা তিনি আরও একাধিক
স্থানে বলেছেন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগের সঙ্গে দালিলিক সাক্ষ্য হিসেবে যেসব নথি সংযুক্ত করা
হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: একাত্তরে স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রতিবেদন
(জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ ও শান্তি কমিটির কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত),
গোয়েন্দা প্রতিবেদন, শান্তি কমিটির সঙ্গে রাজাকার, বেসামরিক ও সামরিক
প্রশাসনের যোগাযোগের নথি ও ছবি, ভিডিওচিত্র এবং একাত্তরের বিভিন্ন পত্রিকা ও
বিদেশি টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদন। এসব বিষয়ে প্রকাশ ও প্রচারের তারিখ
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম আলো পাঠক প্রতিক্রিয়া
-
Why Government is bothering a peace loving person? After all
he was associated with peace committee in 1971. He wasn't pissing peace
into pieces, was he?
-
He should be arrested soon.
-
He has been trying prove himself innocent on tv channels. be aware of him.
-
১৬ ডিসেম্বর ১ নম্বার রাজাকার গোলাম আযম কে গ্রেপ্তার করা হোক ।
-
গতকাল রাতে এ টি এন বাংলাই "৭১ এর গোলাম আযম" শীর্ষক একটি
প্রতিবেদন দেখলাম, সাংবাদিকের প্রায় প্রশ্নের উত্তর তিনি সুন্দর ভাবে এড়িয়ে
গেলেন। সবচেয়ে যে জিনিসটা আমার খারাপ লেগেছে একজন সাংবাদিক তাকে SIR বলে
সম্বোধন করতে শুনে। একটা জিনিস আমি কিছুতেই বুঝলাম না তাকে এতটা সমীহ করে
কথা বলার কি আছে। সে শুধু একজনের শত্রু নই পুরো জাতির শত্রু, কথাটা কি
আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা ভুলে গিয়েছলেন?
-
পাকিস্তানি গোলাম মীরজাফার গোলাম আজমের ফাসির আগে জুতা পেটা করতে চাই।
-
এসব কেচ্ছা কাহিনী আমরা ছোটবেলা থেকে শুনছি। সময় এসেছে এগুলো প্রমান করার।
-
বেশ কয়েকদিন ধরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ক খবর সম্পর্কে লেখা
পাঠকের মন্তব্যগুলো মন দিয়ে পড়ছি; সত্যি বলতে কি মূল খবরের চেয়েও বেশি
গুরুত্ব দিয়ে পড়ছি। তাতে দেখতে পাচ্ছি, অনেকেই এই বিচারের বিরোধিতা করছেন।
আমার ধারণা আজও এমন অনেকগুলো মন্তব্য প্রকাশিত হবে, যেখানে গোলাম আজমের
জন্য হাহাকার করা হবে। সেসব পড়তে পড়তে ভাবতে থাকবো, আজ ১৪ই ডিসেম্বর!!
-
I am a student of B.Pharm and also a Teacher.In my life i saw
him,he is not bad at all.If you have prove, you will proved him as a
Rajaker.After prove it, then our government can catch him.If there is no
Prove about him,there is no Causes about him to arrest.I Honor our
People Republic Bangladesh.
-
আর কত !!! এখন এদের ফাসি দেয়া হোক।
-
Md.Monirul Islam Khan, "৭১ এর গোলাম আযম" শীর্ষক প্রতিবেদনটটি
প্রচার করার জন্য এ টি এন বাংলা ধন্যবাদ, আর আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট করে
অনুষ্ঠানটি দেখার জন্য। আর গোলাম আযম কে স্যার বলার কারন সে একজন শিক্ষিত
অধ্যাপক।
-
...জামায়াতের অনেক নেতার বিরুদ্ধেই অকাট্য প্রমান নেই, কিন্তু
গোলাম আযম.. এই লোকের বিরুদ্ধে এত প্রমাণ আছে যে একে ফাসিতে ঝোলাতে ৩দিনের
বেশি কোর্টের কার্যদিবস লাগার কথা না। এখন দেখা যাক সরকার এই বিষয় নিয়ে
কতটুকু রাজনীতি করে।
-
TV তে দেখলাম, উনি বলছেন, উনার বিরুদধে আনা একটা অভিযোগও কেউ
পমান করতে পারবেনা। উনি তো এটা বললেননা যে উনি অভিযোগ আনা অপরাধগুলো
করেননি। অপরাধ করে ইসলামকে বরম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। আপনাদের বিচার তো
দুই জায়গায় হবে। একটা এই পথিবীতে, আর একটা পরকালে। একটু ভয়ও নেই বুকে।
নিজেদের উপর কি জুলুমটাই না করছেন শয়তানের পরোচনায়।
-
কালকে ATN News তার প্রতিবেদন দেখলাম ভাল লাগল ... তবে এই মানবতা
বিরোধী যে আদালত এটি একটি বির্তকিত হয়ে গেছে তাই এইটা পরিবর্তন দরকার।
-
গতকাল একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার চিহ্নিত
অপরাধী গোলাম আযমের সাক্ষাত্কার দেখে বিস্মিত হলাম । তিনি নাকি মৃত্যুকে
ভয় পাননা । যে ব্যাক্তি অসংখ্য মানুষকে হত্যা করতে পারে সেতো জল্লাদ ।
জল্লাদরা মৃত্যুকে ভয় না পাওয়ার কথা ।
স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এদের বিচার করে জাতিকে কলঙ্ক মুক্ত করতে হবে ।
-
Md. Mohabbot Hossain কে বলতে চাই গোলাম আযম একজন শিক্ষিত ঘাতোক
। সবাইকে আমি Sir বলতে পারি , তা সে চোর হউক ডাকাত হউক কিন্তু একজন ঘাতোক
কে Sir বলতে পারবোনা , বলতে দিবোনা ।
-
গোলাম আযমের মুখে জনগন শুনতে চায়, তার কাহিনী, তাকে সরাসরি প্রশ্ন করুন এবং তাকে তার উত্তর দিতে বলুন।
-
গোলাম আজম (বাংলাদেশীদের জন্য গোলাম আজব) আপনি সময় থাকতে
প্রকাশ্যে তওবা করেণ। কারণ আল্লাহ পাক প্রকাশ্য অপরাধের জন্য প্রকাশ্যে
তওবা করার কথা বলেছেন।
-
ঘাতকদের বিচার ও দৃসটান্তমুলক শাসতি চাই। তবে তারা যেন আত্মপক্ক
সমর্থনের সু্যোগ পায়। তারা বিদেশী আইনজীবী নিয়োগ করতে চাইলে সু্যোগ দেয়া
উচিত। এতে করে বিচারটি বিতর্কমুক্ত থাকবে। আর বিচারটি টেলিভিশনে লাইভ
দেখানোর ব্যবসথা থাকা উচিত। এতে করে এই বিচার রাজনইতিক বলয় থেকে বেরিয়ে
পুরো দেশবাসীর সত:সফুর্ত সমর্থন পাবে।
-
তাকে মিডিয়ার সামনে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া উচিত।
-
গত কালও বাংলাভিশনে গোলাম কে দেখিলাম উনার কথা শুনিয়া মনে
হইতেছে উনি যুদ্ধকালীন দেশের রক্ষা কবচ ছিল . উনি আমাদের দেশবাসীকে
যাহারা ভারতে যাইতে পারেনাই তাহাদের রক্ষা করিয়াছে. উনি গ্রেফতার হইবেন
আর আমাদেরই দেশপ্রেমী দল উনার মুক্তিদাবি করিবে আর এক ধরনের সুধী জনেরা
বিচারের স্বচ্ছতা চাহিয়া বিচার প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টাই নিউজিত
থাকিবে. .
-
আবদুল সালাম ভাই চুর কি বলে আমি ..........................?
-
The war criminals get the opportunity to become ministers in
Bangladesh which is humiliating for our freedom fighters. Shame on those
who patronize them. I hate them like Gen. Zia, Somsher Mobin Chow etc
....
-
১৪০ সদস্যের নাগরিক শান্তিকমিটি, ২১ সদস্যের কার্যকরী কমিটি, ছয়
সদস্যের একটি সাব-কমিটি গঠিত হয় ! সব কমিটিতেই গোলাম আজমের নাম আছে !
কমিটির বাকী সদস্যের নাম কি ভাবে জানতে পারবো, কেউ বলতে পারেন কি ? বড়
ইচ্ছা হয় আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাজাকারদের পরিচয় জানার ! তা
ছাড়া এতো এতো সদস্য রেখে কেবল গোলাম আজমের বিচারই কেন হবে সেটাও বুঝতে
চাই !
-
@ Mr Md. Mohabbot Hossainকে বলছি, দেখুন একজন মানুষকে সম্মন
অসম্মন দেখানো হয় তার কৃত কর্মের দ্ধারা, তিনি শিক্ষিত অধ্যাপক বেশ ভাল
কথা, অধ্যাপক হয়ে তিনি দেশের জন্য কি করেছেন ? কোরআনের অপব্যখ্যা দিয়েছেন
যা বাংলাদেশের হক্কানি আলেমদের লিখায় ও বক্তব্যে অগনীত প্রকাশ।
মুক্তিযুদ্ধের সময় নয় মাস তিনি দেশের জন্য কি করিয়াছেন ? এবং ১৯৭৮ সাল
পর্যন্ত তিনি কোথায় ছিলেন ? ঐ সময় তিনি কি কি করেছেন ? তার জীবনের বেশী
ভাগ সময় তিনি দেশকে ধংসের পথে নিতে চেয়েছেন, তার নেতৃত্বে দেশের অগনীত
মুক্তিকামী মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ইত্যাদী ..... এই ধরনের লোককে
সম্মনীত শিক্ষিত অধ্যাপক বলাটা শোভা পায়না।
-
আর কোনো specific প্রমান পাওয়া গেল না? পাকিস্তানের আর্মিরা কি
গোলাম আযমের নিরদেশে মেনে চলতো যে তার কথামতো ৩৮ জনকে হত্যা করলো? যারা নিজ
হাতে হত্যা করলো তাদের কি কোন বিচার হবে না?
-
গো আযম ও অন্যান্য জামাত নেতারা ১৯৭১ সালে যে অপরাধ গুলো করেছিলো
এবং তারা যে অপরাধী এটা দিবা লোকের মত সত্য কিন্তু এত দিন পর এ গুলো
প্রমান করা অত্যন্ত কঠিন। বস্তুত ১৯৭৫ এর পর হতে এ রাজাকারা রাষ্ট্রীয়
পৃষ্টপোষকতা পেয়ে পেয়ে এখন সব বেমালুম অস্বীকার করছে। এ রাজাকারা
পাকিস্তানের অখণ্ডতা চেয়েছিলেন এটা যেমন এক শ ভাগ সত্য এবং পাকিস্তানের
অখণ্ডতা রক্ষায় যা যা করা প্রয়োজন তারা তাই সে সময় করেছিলো।
-
He should be arrested with appropriate proof.
-
বুশের মত লোকে জুতা মারতে পারে আর গোলাম আযম এত এত মিথ্যা কথা
বলল সব সাংবাদিক কিভাবে বসে থাকে বুঝলাম না ???? সাংবাদিকরা প্রচার করে
আমরা সাহসী জাতি ...........................................
-
গোলাম আযমের মতো একটা চিন্হিত যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে সাফাই গাওয়ার
মতো দেখি কিছু কিছু লোক আছে ! থাকতেই পারে, নিশ্চয় তারা বা তাদের আগের
প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালালি করেছিল। বাংলাভিশনে তার যে
সাক্ষাতকার দেখলাম তাতে তো মনে হলো অনুষ্ঠানটা একদম প্রিপ্ল্যান করা, যে
কারনে সে যেসব প্রশ্ন এড়িয়ে গেছে তা বারবার তুলে ধরে তাকে চেপে ধরা যেতো।
কি করে বাংলাভিশন এটা করলো?
-
দেশের অনেক টেলিভিশন চানেল আছে যেইগুলি দেখিয়া মনে হই ওই গুলি
শুধু কোনো উদ্দেশ্য নিয়া করা হইয়াছে. তাহাদের প্রচার দেখিলে মনে হই
তাহারা কোনো দলেদ প্রতিনিদিত্ত করিতেছে. যেমন বিটিভি সরকারের করে. গতকালের
বাংলাভিশনে গোলাম আজোমের সাক্কাত্কার দেখিয়া মনে হয়তেছে ঐটা উনার পাপ
হালকা করিবার জন্যই করা হইয়াছে. দিগন্ত আর ইসলামী টেলিভিশনের কথা নাইই
বলিলাম. আরো অনেক হয়ত আছে বিদেশে অপারেটর গণ খুব বেশি চানেল আমাদের
দিতে পারেনা.
-
All of Bangladeshi Hate Gu. Azam. So immediate ..............
-
কাল রাতে বাংলাভিশনে গো আযম এর সাক্ষাতকার দেখলাম! তার বক্তব্য
খুবই পরিষ্কার ছিল, অখন্ড পাকিস্তানের জন্য সে তখন সবকিছুই করেছে।
মানবতাবিরোধী কোন অপরাধ সে করে নাই!! রাজাকার রা পুলিশ আনসারের মতই
পাকিস্তানি আর্মির সহযোগী বাহিনী ছিল! তার কাছে কেউ কমপ্লেইন নিয়ে আসলে
তিনি পাকিস্তান আর্মিকে বলে যথাসম্ভব সাহায্যই না-কি করেছে!!! তার গর্বভরে
বলেছে যে সে বাংলাদেশ নয় অখন্ড পাকিস্তানই চেয়েছিল!!! মুক্তিযোদ্ধাদের
বিদ্রোহী বলে আখ্যাতিয় করেছে!!!! তাকে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জনসম্মুখে পিটিয়ে মারা হোক.....।
-
লগি দিয়ে মানুষ হত্যা কারিদের ও বিছার হওয়া উছিত '
-
গোলাম আজম কাল বাংলাভিসন টেলিভিশনে বলেছেন যৌদ্ধ অপরাধী অভিযোগ
তার বিরুদে অপবাদ। সে আরো বলেছে তার বিরুদে এই অভিযোগ একটাও প্রমান করতে
পারবেনা।
-
গোলাম আযম কে প্রকাশ্যে ফাসি দেয়া হোক!
-
তাকে সবার সামনে গুলি কর মার